![]() |
মিনিওন, হ্যালো কিটি কিংবা ফুল-পাথরের নানা নকশা। স্মার্টফোনের কভারে এখন পাওয়া যাবে এগুলোই। পছন্দের ফোন কিনলেই চলছে না, এর সঙ্গে অনেকেই ব্যবহার করছেন বাহারি সব কভার। অনেকে তো পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে রাখেন আলাদা কভার। শুধু ফোনটা ভালো রাখার প্রয়োজনেই কভার ব্যবহার হচ্ছে না। ফ্যাশনেরও অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে এই স্মার্টফোন কভারগুলো।হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোনটির যত্ন-আত্তির কথা এলে প্রথমেই আসবে এর কভারের প্রসঙ্গ। কভার ব্যবহার করে অনেক দিন ভালো রাখা যায় স্মার্টফোন। অনেকের ধারণা, কভার ব্যবহার করলে স্মার্টফোনটির মূল ডিজাইনই বোঝা যায় না, তা কিন্তু ঠিক নয়। বাজার ঘুরে দেখলে বুঝবেন, শখের ফোনটির সৌন্দর্য বরং আরও বাড়িয়ে তুলবে এই কভারগুলো।
কিছুদিন পরপর মোবাইলের কভার পরিবর্তনের ফলে স্মার্টফোনটিকে নতুন রূপ দেওয়া সম্ভব। বাজারে নানা রঙের ও বিভিন্ন নকশার মোবাইল কভার পাওয়া যায়। সাধারণত মোবাইল কভার দুই ধরনের হয়ে থাকে। ব্যাক কভার ও ফ্লিপ কভার। ব্যাক কভার মোবাইলের পেছনের দিকটায় লাগানো হয়। আর ফ্লিপ কভার মোবাইলের সামনে ও পেছনে দুই অংশেই থাকে। মোবাইলের জন্য আছে চামড়া, প্লাস্টিক ও রাবারের কভার। আরও রয়েছে বাহারি সব পাথরের নকশা, আবার কোনোটার নকশায় দেখা যায় কার্টুন ছবি-সংবলিত থ্রিডি কভার। ফোনের ব্র্যান্ড অনুযায়ী কভার পাওয়া যায়। নিজস্ব মোবাইল ফোন সেটটির কভার না পেলে অন্য মোবাইলের কভার জোর করে লাগানো ঠিক নয়। তাই বিভিন্ন দোকানে ঘুরে অথবা অনলাইনের মাধ্যমে নিজের পছন্দমতো দেখে কভার কেনা উচিত।
দরদাম: বাহারি রকমের কভারগুলোর দাম পড়বে ২৫০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে।
অ্যাপল: অ্যাপলের আইফোনের ব্যাক কভার পাবেন ৩০০ টাকা থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায়। ফ্লিপ কভারগুলো পাবেন ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে। নানা নকশার ব্যাক ও ফ্লিপ কভার পাবেন ৫০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।






No comments:
Post a Comment